বিকাল ৩:১১ | সোমবার | ২রা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

প্রিন্সেস ডায়ানার ‘হারানো মেয়ে’

জনমত ডেস্ক: ১৯৯৭ সালের ৩১ আগস্ট সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন প্রিন্সেস ডায়ানা। আর ঠিক সেই সময়টায় নিজের ঘরে বসে কাঁদছিল নয় বছরের অবন্তী রেড্ডি। ডায়ানার মৃত্যুতে তাঁর কাছের মানুষেরা যতটা কষ্ট পেয়েছিলেন, ঠিক ততটাই ভেঙে পড়েছিল অবন্তী। ডায়ানার সঙ্গে যে তাঁর ছিল ‘মা-মেয়ের’ সম্পর্ক!

ইয়াহু নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ১৯৯২ সালে প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে ভারত সফরে গিয়েছিলেন প্রিন্সেস ডায়ানা। সফরের একপর্যায়ে হায়দরাবাদে গিয়েছিলেন তাঁরা। সেই সময়ই ডায়ানার সঙ্গে দেখা হয় ছোট্ট অবন্তীর। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র চার বছর। প্রিন্সেসের সম্মানে ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে নেচেছিল সে। নাচ শেষে তাঁর জায়গা হয়েছিল ডায়ানার কোলে। তখন অবন্তীকে ‘মেয়ে’ বলে সম্বোধন করেছিলেন ডায়ানা।

সম্প্রতি শৈশবের সেই স্মৃতি নিয়ে কথা বলেছেন অবন্তী রেড্ডি। ২৮ বছরের অবন্তী এখন স্কুলশিক্ষক। তিনি বলেন, ‘আমার বয়স সবচেয়ে কম ছিল। ডায়ানা আমাকে মাঠে বসে থাকতে দেখেছিলেন। এরপর তিনি আমাকে কোলে তুলে নিয়ে মঞ্চে ওঠেন। আমাকে হাঁটুর ওপর বসিয়েছিলেন তিনি।’

তখন বেশ কথাও হয়েছিল অবন্তী ও ডায়ানার। অবন্তী বলেন, ‘আমার খুব সর্দি হয়েছিল। তিনি নিজের রুমাল দিয়ে আমার নাক মুছে দিয়েছিলেন। সারাক্ষণ তিনি আমাকে সঙ্গে সঙ্গে রেখেছিলেন। যখন তাঁর যাওয়ার সময় হয়েছিল, তখন ডায়ানা বলেছিলেন, আমি তোমাকে ছেড়ে যেতে চাই না। আমার কোনো মেয়ে নেই, তাই আজ থেকে তুমি আমার মেয়ে।’

ভারত থেকে চলে যাওয়ার পরও ‘মেয়েকে’ নিয়মিত চিঠি লিখতেন ডায়ানা। মা-মেয়ের কথা হতো এভাবেই। প্রথম দেখার পাঁচ বছর পর আবার পুনর্মিলন হওয়ার কথা ছিল এ দুজনার। কিন্তু মৃত্যু তা হতে দেয়নি।

অবন্তী বলেন, ‘দ্বিতীয়বার তাঁর সঙ্গে দেখা হওয়ার আশায় আমি শিহরিত ছিলাম। ইউরোপের বেশ কয়েকটি স্কুলে অনুষ্ঠান করেছিলাম আমরা। সফরের শেষের দিকে তাঁর সঙ্গে দেখা হওয়ার কথা ছিল আমাদের। কিন্তু সেটি আর কখনো হয়নি।’

ডায়ানার লাবণ্য ও উদারতায় এখনো মুগ্ধ অবন্তী। তিনি বলেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি বুঝতে শুরু করেছি যে প্রিন্সেস ডায়ানা কে ছিলেন।’

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» এইচএসসি পরীক্ষা ২০২১ এর ফরম পূরণ স্থগিত

» ঘরবন্দী শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য প্রীতি ফুটবল ম্যাচ

» স্বজনরা গুম হওয়া ব্যক্তিদের ফেরার অপেক্ষায়

» কুমিল্লায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পরিষদের মহানগর শাখা কমিটির পরিচিতি ও  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

» বরুড়ায় অপকর্মে বাঁধা দেওয়ায় বাড়িতে হামলার অভিযোগ

» বরুড়ায় ইউপি সদস্যের হাতে মহিলাসহ ৩জন আহতের অভিযোগ

» স্বেচ্ছাসেবক লীগ পাবনা জেলা শাখার কমিটির অনুমোদন- ডাবলু সভাপতি ও রুহুল আমিন সাধারণ সম্পাদক

» পাবনায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণে বিরোধিতার প্রতিবাদে স্বেচ্ছাসেবক লীগের মানববন্ধন

» তুরাগে বেওয়ারিশ কুকুরের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

» উত্তরায় অস্ত্রসহ ৩ ছিনতাইকারীকে আটক

» তুরাগে নেই খেলার মাঠ ও বিনোদন কেন্দ্র, বাধাগ্রস্থ হচ্ছে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ

» নিখোজ সংবাদ

» এস এসসি পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ মেধাবীদের শুভেচ্ছা ও অভিন্দন

» গায়ে কেরোসিন ঢেলে ‘গৃহবধূর’ আগুনে পুড়িয়ে হত্যা

» ‘ফণী’ বাংলাদেশে ৬ ঘণ্টা অবস্থান করবে

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

বাসা#৪৯, রোড#০৮, তুরাগ, ঢাকা।
বার্তা কক্ষ : 01781804141
ইমেইল : timesofbengali@gmail.com

 

© এ.আর খান মিডিয়া ভিশন এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান

      সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার টাইমস্ অফ বেঙ্গলী .কম

কারিগরি সহযোগিতায় এ.আর খান হোস্ট

,

প্রিন্সেস ডায়ানার ‘হারানো মেয়ে’

জনমত ডেস্ক: ১৯৯৭ সালের ৩১ আগস্ট সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন প্রিন্সেস ডায়ানা। আর ঠিক সেই সময়টায় নিজের ঘরে বসে কাঁদছিল নয় বছরের অবন্তী রেড্ডি। ডায়ানার মৃত্যুতে তাঁর কাছের মানুষেরা যতটা কষ্ট পেয়েছিলেন, ঠিক ততটাই ভেঙে পড়েছিল অবন্তী। ডায়ানার সঙ্গে যে তাঁর ছিল ‘মা-মেয়ের’ সম্পর্ক!

ইয়াহু নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ১৯৯২ সালে প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে ভারত সফরে গিয়েছিলেন প্রিন্সেস ডায়ানা। সফরের একপর্যায়ে হায়দরাবাদে গিয়েছিলেন তাঁরা। সেই সময়ই ডায়ানার সঙ্গে দেখা হয় ছোট্ট অবন্তীর। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র চার বছর। প্রিন্সেসের সম্মানে ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে নেচেছিল সে। নাচ শেষে তাঁর জায়গা হয়েছিল ডায়ানার কোলে। তখন অবন্তীকে ‘মেয়ে’ বলে সম্বোধন করেছিলেন ডায়ানা।

সম্প্রতি শৈশবের সেই স্মৃতি নিয়ে কথা বলেছেন অবন্তী রেড্ডি। ২৮ বছরের অবন্তী এখন স্কুলশিক্ষক। তিনি বলেন, ‘আমার বয়স সবচেয়ে কম ছিল। ডায়ানা আমাকে মাঠে বসে থাকতে দেখেছিলেন। এরপর তিনি আমাকে কোলে তুলে নিয়ে মঞ্চে ওঠেন। আমাকে হাঁটুর ওপর বসিয়েছিলেন তিনি।’

তখন বেশ কথাও হয়েছিল অবন্তী ও ডায়ানার। অবন্তী বলেন, ‘আমার খুব সর্দি হয়েছিল। তিনি নিজের রুমাল দিয়ে আমার নাক মুছে দিয়েছিলেন। সারাক্ষণ তিনি আমাকে সঙ্গে সঙ্গে রেখেছিলেন। যখন তাঁর যাওয়ার সময় হয়েছিল, তখন ডায়ানা বলেছিলেন, আমি তোমাকে ছেড়ে যেতে চাই না। আমার কোনো মেয়ে নেই, তাই আজ থেকে তুমি আমার মেয়ে।’

ভারত থেকে চলে যাওয়ার পরও ‘মেয়েকে’ নিয়মিত চিঠি লিখতেন ডায়ানা। মা-মেয়ের কথা হতো এভাবেই। প্রথম দেখার পাঁচ বছর পর আবার পুনর্মিলন হওয়ার কথা ছিল এ দুজনার। কিন্তু মৃত্যু তা হতে দেয়নি।

অবন্তী বলেন, ‘দ্বিতীয়বার তাঁর সঙ্গে দেখা হওয়ার আশায় আমি শিহরিত ছিলাম। ইউরোপের বেশ কয়েকটি স্কুলে অনুষ্ঠান করেছিলাম আমরা। সফরের শেষের দিকে তাঁর সঙ্গে দেখা হওয়ার কথা ছিল আমাদের। কিন্তু সেটি আর কখনো হয়নি।’

ডায়ানার লাবণ্য ও উদারতায় এখনো মুগ্ধ অবন্তী। তিনি বলেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি বুঝতে শুরু করেছি যে প্রিন্সেস ডায়ানা কে ছিলেন।’

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।

সর্বশেষ খবর



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

বাসা#৪৯, রোড#০৮, তুরাগ, ঢাকা।
বার্তা কক্ষ : 01781804141
ইমেইল : timesofbengali@gmail.com

 

© এ.আর খান মিডিয়া ভিশন এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান

      সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার টাইমস্ অফ বেঙ্গলী .কম

কারিগরি সহযোগিতায় এ.আর খান হোস্ট