বিকাল ৪:০৬ | বৃহস্পতিবার | ২রা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ঈদের জন্য বেনাপোল দিয়ে আসছে ভারতীয় গরু

আসন্ন কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বেনাপোলের বিভিন্ন সীমান্তপথে বৈধ ও অবৈধ পথে আসছে ভারতীয় গরু। বৈধ পথের হিসাব থাকলেও অবৈধ পথে বা চোরাচালানের মাধ্যমে কত গরু আসছে তার কোনো তথ্য নেই কারো কাছে।

কাস্টম ও ভ্যাট অফিসের হিসাব অনুযায়ী গত এক মাসে বৈধ পথে ভারত থেকে ৬ হাজার ৪৩১টি গরু ও ৩২০টি ছাগল এসেছে বাংলাদেশে। এ সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়বে বলে জানান কাস্টম ও গরু ব্যবসায়ীরা।

যশোরের পশ্চিম প্রান্ত জুড়ে ভারত সীমান্ত। এর বেশির ভাগ স্থান জুড়ে কাঁটাতারের বেড়া। তবে যেসব স্থানে বেড়া নেই, সেই পথে অনায়াসে গরু আনা যায়। আর যে পথে কাঁটাতারের বেড়া সেখানে নেয়া হয় ভিন্ন কৌশল। গরু-ছাগল মাঠে চরানোর নাম করে গেট দিয়েই পার করে দেয়া হয় বাংলাদেশে।

অন্যদিকে বৈধ পথে গরু, ছাগল ও ভেড়া আনার জন্য বেনাপোলে কয়েকটি খাটালের অনুমোদন দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে পুটখালী, অগ্রভুলট, দৌলতপুর ও গোগা এই চারটি খাটালে বর্তমানে সীমিতসংখ্যক গরু আসছে। চার-পাঁচ বছর আগে পুটখালীসহ এসব খাটাল হয়ে প্রতিদিন তিন-চার  হাজার গরু আসত।

বিজিবি ও যশোরের নাভারণের পশু শুল্ক করিডোর সূত্রমতে, গত ১ মাসে  ৬ হাজার ৪৩১টি গরু ও ৩২০টি ছাগল এসেছে। গরু  থেকে ৩০ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা আয় করেছে সরকার।

এ অফিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তা কাস্টমস পরিদর্শক সুমা মনি জানান, বেনাপোল সীমান্তের চারটি পশুর হাট পুটখালী, অগ্রভুলট, দৌলতপুর ও গোগা দিয়ে যে পশু আসে সেগুলোর ভ্যাট আদায় করা হয় নাভারণ করিডোরে। হিসাব করে দেখা গেছে, গড়ে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০টি পশু আসছে। ঈদ সামনে রেখে এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।

এদিকে কোরবানির আগে পশু আমদানি বেড়ে গেলে বা ভারত থেকে পশু আসা বাড়লে দেশি খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে আশঙ্কা। তবে খুব বেশি ক্ষতি হবে এমনটা মনে করছেন না যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ভবতোষ কান্তি সরকার।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের হিসাব মতে, কোরবানি উপলক্ষে যশোরের ৮ উপজেলায় ৬৮ হাজার ২৫টি পশু হৃষ্টপুষ্ট করা হচ্ছে। এর মধ্যে গরু ৩৫ হাজার ৭০০, ছাগল ২৯ হাজার ৩০০ ও ভেড়া রয়েছে ৩ হাজার। আর জেলায় ৫৫ হাজার পশুর চাহিদা রয়েছে।

অর্থাৎ ২৯ হাজার গরু এবং ছাগল ও ভেড়া মিলে ২৬ হাজার। স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে বাইরের জেলায় কোরবানির পশু সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে জানান যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» আলীমের পিতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন আ’লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আবুল ফজল রাজু।

» কুমিল্লার ঘটনায় ইকবালকে যারা পাগল বলছে তারাই সাঈদীকে চাঁদে দেখেছে আবুল ফজন রাজু।

» শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতা আবুল ফজল রাজু

» বর্তমান সরকার সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষের কল্যাণে পর্যাপ্ত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে- পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী

» শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন- মেম্বার মোরশেদ আলম।

» শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে আনছর আলীর উপহার সামগ্রী বিতরণ।

» পুনরায় পাপ্পা গাজী ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছেন শরাফত আলী।

» পুনরায় পাপ্পা গাজী ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছেন দীন মোহাম্মদ দীলু।

» পাপ্পা গাজী ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক হওয়ায় আবুল ফজল রাজুর অভিনন্দন

» হাসিনা গাজীর জন্মদিনে দীন মোহাম্মদ দীলুর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

» বিনা স্বার্থে যে সবার সাথে তাল মিলিয়ে চলে সে ব্যক্তিত্বহীন – লিখন রাজ

» রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ও দুই পা ভেঙ্গে ১০ লাখ টাকা লুট

» পাট ও বস্ত্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উযযাপন আনছর আলীর।

» রাজধানীর খিলক্ষেতে ‘মোহাম্মদী ডেইরী এন্ড সুইটস্’ শো-রুমের তৃতীয় শাখা শুভ উদ্বোধন

» প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন দীন মোহাম্মদ দীলু

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

বাসা#৪৯, রোড#০৮, তুরাগ, ঢাকা।
বার্তা কক্ষ : 01781804141
ইমেইল : timesofbengali@gmail.com

 

© এ.আর খান মিডিয়া ভিশন এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান

      সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার টাইমস্ অফ বেঙ্গলী .কম

কারিগরি সহযোগিতায় এ.আর খান হোস্ট

,

ঈদের জন্য বেনাপোল দিয়ে আসছে ভারতীয় গরু

আসন্ন কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বেনাপোলের বিভিন্ন সীমান্তপথে বৈধ ও অবৈধ পথে আসছে ভারতীয় গরু। বৈধ পথের হিসাব থাকলেও অবৈধ পথে বা চোরাচালানের মাধ্যমে কত গরু আসছে তার কোনো তথ্য নেই কারো কাছে।

কাস্টম ও ভ্যাট অফিসের হিসাব অনুযায়ী গত এক মাসে বৈধ পথে ভারত থেকে ৬ হাজার ৪৩১টি গরু ও ৩২০টি ছাগল এসেছে বাংলাদেশে। এ সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়বে বলে জানান কাস্টম ও গরু ব্যবসায়ীরা।

যশোরের পশ্চিম প্রান্ত জুড়ে ভারত সীমান্ত। এর বেশির ভাগ স্থান জুড়ে কাঁটাতারের বেড়া। তবে যেসব স্থানে বেড়া নেই, সেই পথে অনায়াসে গরু আনা যায়। আর যে পথে কাঁটাতারের বেড়া সেখানে নেয়া হয় ভিন্ন কৌশল। গরু-ছাগল মাঠে চরানোর নাম করে গেট দিয়েই পার করে দেয়া হয় বাংলাদেশে।

অন্যদিকে বৈধ পথে গরু, ছাগল ও ভেড়া আনার জন্য বেনাপোলে কয়েকটি খাটালের অনুমোদন দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে পুটখালী, অগ্রভুলট, দৌলতপুর ও গোগা এই চারটি খাটালে বর্তমানে সীমিতসংখ্যক গরু আসছে। চার-পাঁচ বছর আগে পুটখালীসহ এসব খাটাল হয়ে প্রতিদিন তিন-চার  হাজার গরু আসত।

বিজিবি ও যশোরের নাভারণের পশু শুল্ক করিডোর সূত্রমতে, গত ১ মাসে  ৬ হাজার ৪৩১টি গরু ও ৩২০টি ছাগল এসেছে। গরু  থেকে ৩০ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা আয় করেছে সরকার।

এ অফিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তা কাস্টমস পরিদর্শক সুমা মনি জানান, বেনাপোল সীমান্তের চারটি পশুর হাট পুটখালী, অগ্রভুলট, দৌলতপুর ও গোগা দিয়ে যে পশু আসে সেগুলোর ভ্যাট আদায় করা হয় নাভারণ করিডোরে। হিসাব করে দেখা গেছে, গড়ে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০টি পশু আসছে। ঈদ সামনে রেখে এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।

এদিকে কোরবানির আগে পশু আমদানি বেড়ে গেলে বা ভারত থেকে পশু আসা বাড়লে দেশি খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে আশঙ্কা। তবে খুব বেশি ক্ষতি হবে এমনটা মনে করছেন না যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ভবতোষ কান্তি সরকার।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের হিসাব মতে, কোরবানি উপলক্ষে যশোরের ৮ উপজেলায় ৬৮ হাজার ২৫টি পশু হৃষ্টপুষ্ট করা হচ্ছে। এর মধ্যে গরু ৩৫ হাজার ৭০০, ছাগল ২৯ হাজার ৩০০ ও ভেড়া রয়েছে ৩ হাজার। আর জেলায় ৫৫ হাজার পশুর চাহিদা রয়েছে।

অর্থাৎ ২৯ হাজার গরু এবং ছাগল ও ভেড়া মিলে ২৬ হাজার। স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে বাইরের জেলায় কোরবানির পশু সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে জানান যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।

সর্বশেষ খবর



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

বাসা#৪৯, রোড#০৮, তুরাগ, ঢাকা।
বার্তা কক্ষ : 01781804141
ইমেইল : timesofbengali@gmail.com

 

© এ.আর খান মিডিয়া ভিশন এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান

      সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার টাইমস্ অফ বেঙ্গলী .কম

কারিগরি সহযোগিতায় এ.আর খান হোস্ট